ডাকঘরের ডিজিটাল রূপান্তরের কার্যক্রম শুরু হয়েছে: মোস্তাফা জব্বার

স্টাফ রিপোর্টার / লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর :

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, প্রচলিত ডাক সেবাকে ডিজিটাল ডাক সেবায় রূপান্তরের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।ডাকঘরের প্রতিটি কর্মকাণ্ড ডিজিটাল করতে ডাকসেবায় নিয়োজিত প্রতিটি স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারিকে নূন্যতম ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করা অপরিহার্য। ডাকসেবার প্রতি হারানো আস্থা ফিরিয়ে আনতে ডিজিটালাইজেশনের পাশাপাশি ডাকঘরকে মানুষের আস্থার জায়গায় উপনীত করার কোন বিকল্প নেই। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার ধারাবাহিকতায় ডিজিটাল ডাকঘর কর্মসূচি বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে গৃহীত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে মন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের আরও তৎপর হওয়ার নির্দেশ দেন।

মন্ত্রী আজ ঢাকায় ডাকভবনে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ পোস্ট অফিস কর্মচারি ইউনিয়ন আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগা মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা মানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ।বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আমরা বাংলাদেশ পেতাম না। বঙ্গবন্ধু জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্রভাষা, রাষ্ট্রের প্রাথমিক ভিত রচনা থেকে শুরু করে ভবিষ্যত রাষ্ট্রপরিচালনার দিক নির্দেশনা দিয়ে গেছেন।প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর উর্বর এই ভূখন্ড যুগে যুগে ভিনদেশীয়রা শোষণ করেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন আমাদের ত্রানকর্তা। পৃথিবীর কোন জাতি এমন একজন নেতা পায়নি উল্লেখ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন,পৃথিবীতে এক এবং অনন্য একজন মহাননেতা।মন্ত্রী গত ১২ বছরে দেশের অগ্রগতির চিত্র বর্ণনা করে বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যার হাত ধরে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। তিনি দেশের উন্নয়ন সূচক তুলনা মূলক পার্থক্য তুলে ধরে বলেন, করোনাকালে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির প্রয়োজনীয়তা একজন প্রথম শ্রেণি পড়ুয়া গ্রামের শিশুটি পর্যন্ত উপলব্ধি করতে পেরেছে। ডিজিটাল সুবিধা সম্প্রসারণের ফলে অচল জীবনযাত্রা সচল রাখা সম্ভব হয়েছে। নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের শিশুটিকে যেমন ডিজিটাল শিক্ষা গ্রহণ করতে হয়েছে, বিচারক বাড়ীতে বসে ডিজিটাল কোর্ট চালু রেখেছেন, সরকার পরিচালনায় আমরা ঘরে বসে কাজ করছি। এই রূপান্তর ভবিষ্যতকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে করোনা পরবর্তী পৃথিবী করোনা পূর্ববর্তী যুগে ফেরৎ যাওয়ার সুযোগ নেই। এটাই হচ্ছে ভবিষ্যত বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী ডাকঘরের বিদ্যমান সেবায় অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ডাকঘরের কর্মকর্তা -কর্মচারিদের অদক্ষতা ও অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। যে কোন অবহেলার আইনানুগ শাস্তি ভোগ করতে হবে।

বাংলাদেশ পোস্ট অফিস কর্মচারি ইউনিয়নের সভাপতি মো: মোসলেম হাওলাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: সিরাজ উদ্দিন, অতিরিক্ত মহাপরিচালক হারুনুর রশিদ, বাংলাদেশ পোস্ট অফিস কর্মচারি ইউনিয়নের সেক্রেটারি খলিলুর রহমান ভূঞা বক্তৃতা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *