চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল প্রযুক্তির দক্ষতা অর্জন অপরিহার্য- মোস্তাফা জব্বার

এসএম রবিন / লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর :

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির উৎকর্ষের ফলে ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যমান পেশার প্রায় অর্ধেক বিলুপ্ত হবে। এর ফলে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রচলিত প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শিল্প বিপ্লব উপযোগী বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন অপরিহার্য। এই লক্ষ্যে নতুন প্রজন্মের জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তি উপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রচলিত শিক্ষায় শিক্ষিত বিদ্যমান শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

মন্ত্রী আজ ঢাকায় অনলাইনে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে সাউথ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী স্বাথীনতার পঞ্চশ বছরের বাংলাদেশের অগ্রগতির বর্ণনা দিয়ে বলেন,, হ্যানরি কিসিঞ্জারের তলাহীন ঝুড়ি খ্যাত আজকের বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টিসম্প্ন্ন গতিশীল ও প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর লালিত সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার দ্বার প্রান্তে। স্বাধীনতা আমাদের রক্তে কেনা অর্জন। আমাদের এই অর্জন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো একজন মহামানবের জন্ম এই মাটিতে হয়েছিলো বলে সম্ভব হয়েছে । বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমার প্রজন্মের জন্য স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর এবং জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ পালন করা খুবই সৌভাগ্যের। তিনি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বকে সমকালীন বিশ্বের বিস্ময় উল্লেখ করে বলেন, হুচিমিন, মাওসেতুং, চেগুয়েভার, লেলিন কিংবা স্টালিন তাদের সাথে বঙ্গবন্ধুকে তুলনা করলে বলা যাবে বঙ্গবন্ধু ছিলেন অনন্য।

পঞ্চাশ বছরের বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর সাড়ে তিন বছর এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৭ বছরের বাংলাদেশের অগ্রগতির তুলনামুলক পার্থক্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, পচাত্তর পরবর্তী দীর্ঘ ২১ বছর বাংলাদেশ ছিলো অপশক্তির হাতে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রটিকে পাকিস্তানি ভাবধারায় ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত ছিলো। স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির এই চক্রান্ত এখনো থেমে নেই। এদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান ।

মন্ত্রী আগামী দিনের কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স, আইওটি, বিগডেটা কিংবা ব্লকচেইন প্রযুক্তির জন্য উপযোগী মানবসম্পদ তৈরির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন,, এক্ষেত্রে শিক্ষা ব্যবস্থার রূপান্তর ঘটাতে হবে। আমাদের জনসম্পদকে দক্ষমানব সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *